Home / খোলামত / “লালমোহন ও তজুমদ্দিনবাসীর জন্য আর্শীবাদ নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন”

“লালমোহন ও তজুমদ্দিনবাসীর জন্য আর্শীবাদ নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন”

ভোলা-৩ আসন তথা লালমোহন ও তজুমদ্দিন উপজেলার প্রায় প্রতিটি মানুষের মুখে মুখে শুধু একটি নাম নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন এমপি। যিনি প্রতিটি মুহূর্তে শত বাঁধার পাহাড় ডিঙ্গিয়ে চলছেন আপন মহিমায়। উদ্দেশ্য তাঁর একটি। গরীব, দু:খী ও মেহনতি মানুষের জন্য নিজের সর্বোচ্চ মেধা ও শ্রম দিয়ে নিরলস ভাবে কাজ করে যাওয়া।

দিনরাত তিনি দুরন্ত রাখাল বালকের মতো ছুটে বেড়ান নির্বাচনী এলাকার এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত অবধি। মাথার উপর তাপদহন সূর্য, ঘূর্ণিঝড় কিংবা আইলা-সিডরের মতো মহাদূর্যোগ কোনটাই তাকে কখনো থামিয়ে রাখতে পারেনি। নিজের সুখ কে জলাঞ্জলি দিয়ে তিনি জনগনের সুখের কথা ভেবেছেন সর্বক্ষণ। তাঁর নির্বাচনীয় এলাকার সর্বস্তরের জনগন তাকে মনে প্রানে এতোই বেশি ভালোবেসে যে, নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন এমপির আগমনের কথা শুনলেই গ্রামের সকল শ্রেণীর মানুষ সব কাজ ফেলে রেখে রাস্তায় বেড়িয়ে আসেন শুধু এক নজর তাদের প্রিয় নেতাকে দেখার জন্য। যাহা ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা!

নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন এমপির সীমাহীন আকাশসম বুকের মাঝে যেন জগতের সকল সুখ ও ভালোবাসা খুঁজে পেয়েছে তাঁর এলাকার সকল জনগন। তাইতো গ্রামের অতিসাধারণ মানুষগুলো তাঁকে কাছে পেলেই বুকের মাঝে জড়িয়ে ধরেন এবং কি যেন এক স্বর্গীয় সুখ অনুভব করেন তার মর্মবাণী একমাত্র সৃষ্টকর্তাই ভালো জানেন। এমন বাঁধভাঙা ভালোবাসায় নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন এমপিও নিজেকে সকলের মাঝে বিলিয়ে দেন পরম মমতায়। অতীতে কখনই এ জনপদে এমন জননন্দিত জনপ্রতিনিধির দেখা মিলেনি। বই-পুস্তক ও নিয়ম কানুনে থাকলেও তাঁরা ছিলেন সকলের ধরা ছোয়ার বাইরে। কেননা, সাধারন মানুষের কাছে তাদের অবস্থান ছিল অনেক অনেক দূরে এবং তাদের দিদার লাভ করাও সাধারন মানুষের ছিল কল্পনাতীত।

আর আজ যেন আকাশের চাঁদ নেমে এসেছে গরীব, দু:খী ও মেহনতি মানুষের হৃদয় নিংড়ানো কথা শুনতে এবং তাদের সুখে-দুঃখে সারাজীবন পাশে থাকতে। কেইবা জানতো যে ছেলেটি সোনার চামচ মুখে দিয়ে জন্মগ্রহণ করেও সমাজে অবহেলিত মানুষের সাথে মিলে মিশে একাকার হয়ে যাবেন! রাজপ্রাসাদপম অট্টালিকা আজ তাঁকে কখনই কাছে টানতে পারেনি। আয়েশি জীবন ভুলে তিনি সমাজের অবহেলিত মানুষের জন্য বিরামহীন ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন দিনের পর দিন। তাইতো লালমোহন ও তজুমদ্দিনের প্রতিটি অবকাঠামো সহ রাস্তাঘাটে উন্নয়নের ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষণীয়। যাহা যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে অন্য কেউ একাধারে এমন উন্নয়ন করতে পারেননি। লালমোহন-তজুমদ্দিনের উন্নয়নের রুপকার নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন এমপি। যিনি নিজের কথা ভাবতে মোটেও অভ্যস্ত নন। তাঁর প্রতিটি মুহূর্ত ব্যয় করেন জনগণের কল্যানের কথা ভেবে। তার সাফল্য সবাইকে অনেক গর্বিত করেছে আবার অপর দিকে কাউকে আবার ঈর্ষান্বিতও করেছে।

আপামর জনসাধারণ নুরুন্নবী চৌধুরীর জন্য যে দুর্ভেদ্য দূর্গ রচনা করেছে তা ভেদ করার শক্তি কারো নেই। সকল অর্থ ও পেশী শক্তির উর্দ্ধে উঠে সবাই প্রিয় নেতার জন্য কাজ করে যাবে এই ভাবনাই সকলের চিন্তাধারায় বিরাজমান। যার কাছে সাধারণ মানুষ নিজের মনের সুখ-দুঃখ, ভালো-মন্দ ও মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে একেবারে সাবলীল ভাবে তাঁকেই তো সারাজীবন আপামর জনতা পাশে চাইবে! জননেত্রী শেখ হাসিনাকে প্রথম দর্শনেই তার কাজ থেকে রপ্ত করতে থাকেন রাজনৈতিক সকল কর্মকাণ্ড। আর সে থেকে পথচলা আজকের জন নন্দিত রাখাল রাজার। ছোটবেলা থেকেই দিনের পর দিন ঘুরেছেন সাধারণ মানুষের বাড়ি বাড়ি। অতি মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন সাধারণ মানুষের আত্ন-কাহিনী। এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার মহতী দেশসেবার কর্মকাণ্ডই তাঁকে অনেক বেশি কৌতুহলি করে তোলে। তিনি ছেলেবেলা থেকেই স্বপ্ন দেখতেন বড় হয়ে দেশ সেবায় নিজেকে সর্বদা নিয়োজিত রাখার। নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন এমপির রাজনৈতিক শিক্ষার মাঝে কোন খাঁদ নেই। তাইতো তিনি অতি সহজে জনগণের এতো কাছে আসতে সক্ষম হয়েছেন। পারিবারিক রাজনৈতিক শিক্ষা ও আদর্শ আজ তাঁকে অনেক বড় বেশি মহান করেছে। আর জনগণের ভালোসায় তিনি হয়েছেন সিক্ত। আর তাইতো জননেতা আলহাজ্ব নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন শুধুই একটি নয়, একটি ইতিহাস! একটি অনুভূতির নাম।

লেখকঃ মহিউদ্দিন সাগর

About সময় এক্সপ্রেস নিউজ ডেস্ক

এ সম্পর্কিত আরো খবর

১৫ আগস্ট হত্যাযজ্ঞ থেকে বেঁচে যাওয়ার পর একেকটা দিন ছিল মৃত্যুর সমান

প্রথম পর্বের পর…. https://somoyexpress.com/archives/15275 দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় আমরা বর্ডার পাড়ি দেই। এবার আমরা মেহেরপুর দিয়ে যাই। …

নির্বাসনের দিনগুলো ও হৃদয়বিদারক ১৫ আগস্টের কালো রাত

খুব ভোরে প্রচণ্ড ভাঙচুরের আওয়াজে আমার ঘুম ভাঙে। উঠে দেখি মা নেই পাশে। বিছানায় শুধু …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *