সংবাদ শিরোনাম
Home / সময় স্পেশাল / আল্লাহকে বলি আমার হায়াতটাও যেনো আমার বাবাকে দেয়ঃ শ্রাবণী সিনহা

আল্লাহকে বলি আমার হায়াতটাও যেনো আমার বাবাকে দেয়ঃ শ্রাবণী সিনহা

ভরসা ও পরম নির্ভরতার নাম বাবা। শত দুঃখেও যেন সন্তানের কাছে কোনও প্রত্যাশা না রাখার নামই হয়ত বাবা। বাবা দিবসে শ্রদ্ধা আর ভালবাসা পূর্ণতাপাক সব বাবারা। বাবা শাশ্বত, চির আপন। ভাষা ভেদে হয়তো শব্দ বদলায়, স্থান ভেদে বদলায় উচ্চারণও। কিন্তু বদলায় না রক্তের টান। আমেরিকায় যিনি ‘ড্যাড’ বাংলায় তিনি ‘বাবা-আব্বা’।

আজ বিশ্ব বাবা দিবস। প্রতিবছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো এদেশেও পালন করা হয় দিবসটি।

শ্রাবণী সিনহা বলেন, পায়ে পায়ে হাঁটতে শেখান বাবা। জীবনের নানা টানাপড়েনেও যিনি কখনো, ‘না’ বলেন না। বাবারা তো এমনই হন, বাবাদের তো এমনই হওয়ার কথা। লুকানো দুঃখ, ব্যথার মুহূর্তগুলোও যেন চুপ করে যায় বাবার আদরে।

বাবাকে নিয়ে বলতে গিয়ে মডেল ও অভিনেত্রী শ্রাবণী সিনহা আরও বলেন, ”আমার বাবা পৃথিবীর সেরা বাবা। আমি দেখেছি জীবনের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বাবা আমাদের সুখের জন্য কতটা কষ্ট করছেন। আজও করে যাচ্ছেন আমাদের জন্য। কে আছে আর বাবার মতো এতো ভালোবাসবে! বাবাতো বাবাই! বাবা তুমি বেঁচে থাকো সারাজীবন আমাদের মাঝে। আল্লাহকে বলি আমার হায়াতটাও যেনো আমার বাবাকে দেয়। বাবার কিছু হলে আমি নিজেই মরে যাবো।”

কিভাবে এলো বাবা দিবস:

১৯০৯ সালে সনোরা স্মার্ট ডড নামের এক মার্কিন নারী বাবা দিবসের স্বীকৃতির জন্য সোচ্চার হয়ে ওঠেন। ডড তার বাবাকে অসম্ভব ভালো বাসতেন। মা ছিলনা তাদের। তাদের সাত ভাইবোনকে বড় করে তুলেছিলেন তাদের সিঙ্গেল বাবা। বাবার এই ত্যাগ দেখে ডডের মনে হলো মা দিবসের এত আয়োজন হলে বাবা দিবস কেন বাদ থাকবে। বাবাকে সম্মান জানানোর জন্যও একটা দিন থাকা দরকার।

অনেক চেষ্টা চরিত্র করে দীর্ঘ এক বছরের সাধনায় স্থানীয় কমিউনিটি গুলোতে বাবা দিবস পালন করতে পারেন ডড। ১৯১০ সালের ১৯ জুন বিশ্বে প্রথম বারের মতো পালিত হয় বাবা দিবস।

শুরুটা ওয়াশিংটনে হলেও ধীরে ধীরে এক রাজ্য থেকে আরেক রাজ্যে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। আস্তে আস্তে মা দিবসের পাশাপাশি বাবা দিবসের প্রতিও সচেতন হতে থাকেন সন্তানরা। দীর্ঘ ছয় দশক পর মিলে বাবা দিবসের স্বীকৃতি। ১৯৭২ সালে তখনকার আমেরিকান প্রেসিডেন্ট নিক্সন একটি আইনে স্বাক্ষর করে বাবা দিবসকে জাতীয় মর্যাদা দেন।

তবে এর মাঝে বেশ কিছু আন্দোলনও হয়ে গেছে মা দিবস এবং বাবা দিবস একসাথে করে প্যারেন্ট ডে পালনের জন্য। তবে বেশিরভাগ মানুষ আলাদা আলাদা দিন পালনেই রত থাকলো। অবশ্য কেউ কেউ এটিকে পুরুষতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার ধান্ধা বলতেও কার্পণ্য করেনি।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এটি ভিন্ন ভিন্ন দিনে পালন করা হয়। বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বাবা দিবস হচ্ছে জুন মাসের তৃতীয় রবিবার। দক্ষিণ আমেরিকায় এটি পালিত হয় ১৯ এ মার্চ। অস্ট্রেলিয়া ও ফিজিতে পালন করা হয় সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম রবিবার।

About সময় এক্সপ্রেস নিউজ ডেস্ক

এ সম্পর্কিত আরো খবর

চমেকহা’র নতুন আইডিএ কমিটিঃ আহ্বায়ক ডাঃ ওসমান, সদস্য সচিব ডাঃ তাজওয়ার

মেডিকেল কলেজে ৫ বছর এমবিবিএস অধ্যয়ন শেষে ফাইনাল প্রফেশনাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর নতুন ডাক্তারদের …

দেশে করোনায় মারা গেছেন ১৫৮৭ পুরুষ, নারী ৪১০ জন

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা মানুষের সিংহভাগই পুরুষ। নারীদের মৃত্যুর হার যেখানে কুড়ি শতাংশের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *