সংবাদ শিরোনাম
Home / Uncategorized / বাকেরগঞ্জের ধর্ষণ সহ একাধিক মামলার আসামি অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম ধরাছোঁয়ার বাইরে

বাকেরগঞ্জের ধর্ষণ সহ একাধিক মামলার আসামি অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম ধরাছোঁয়ার বাইরে

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি, খান মেহেদী :বাকেরগঞ্জ উপজেলার ৭ নং কবাই ইউনিয়নের সোনাকান্দা গ্রামের আ:ওহাব আকনের মেয়ে ফাতেমা আক্তার (২১) কে বিয়ে করার প্রলোভন দিয়ে ধর্ষণ করে ৯ নং কলসকাঠি ইউনিয়নের কোচনগর গ্রামের আব্দুর রশিদ মাতুব্বরের ছেলে মোঃ শহিদুল ইসলাম।
কবাই ইউনিয়ন ইসলামিয়া ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ সহিদুল ইসলাম এর সাথে কয়েক বছর আগে ফাতেমার পরিচয়। পরিচয়ের এক পর্যায়ে ফাতেমার সাথে অধ্যক্ষ শহিদুলের প্রেম সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেম সম্পর্কের দুর্বলতার সুযোগে নিয়ে, ফাতেমার মা বাবা আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গেলে সেই সুযোগে ফাতেমার বসত বাড়িতে এসে প্রেমের ছলে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। মাস কয়েক পূর্বে ওই অধ্যক্ষ’র ওরষের সন্তান ফাতেমার গর্ভে আসে।
বিয়ের আগে সন্তান নিবে না। এমন কথা বলে ফাতেমার গর্ভের সন্তান নষ্ট করে ফেলে সহিদুল। সন্তান নষ্ট করার পরপরই তাদের সম্পর্কের সকল তথ্য প্রমাণ ফাতেমার নিকট থেকে নিয়ে যায় অধ্যক্ষ সহিদুল।জীবনের সবকিছু হারানোর পর ফাতেমা জানতে পারে অধ্যক্ষ মোঃ সহিদুল ইসলাম’র ২ সন্তানসহ এক স্ত্রী রয়েছে। যা ফাতেমার কাছে গোপন রেখেছিল।
এরপরে গত ২২ জুন বাকেরগঞ্জ থানায় ফাতেমা  নিজে বাদী হয়ে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন
মামলা নং১৮/১৪২।
এই বিষয়ে ফাতেমা জানান, অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম প্রভাবশালী হওয়ায় এখন পর্যন্ত ধরা ছোয়ার বাহিরে রয়ে গেছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য কবাই ইউনিয়ন ইসলামিয়া ডিগ্রী কলেজের সভাপতি হওয়ায় তার নাম ব্যবহার করে ধর্ষক শহিদুল ইসলাম বিভিন্ন রকমের কুকীর্তি করেও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।
উল্লেখ্য, ধর্ষক শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে তার কলেজের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী মৃত্যু সালাউদ্দিন তালুকদার এর পুত্র বাদল তালুকদারকে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে চাকুরী চুত করায় বরিশালের  বাকেরগঞ্জ সহকারী জজ অাদালতে শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে জাল-জালিয়াতির মামলা দায়ের করা হয় মামলা নং৭১/২০১৪।
তাহার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে ও বিশেষ দায়রা অাদালতে মামলা হয় মামলা নং ৪২/২০১৬। এছাড়াও বরিশালের অতিরিক্ত দায়রা জজ ২ অাদালতে মামলা হয় মামলা নং ১৭৬/২০১৪।
এ বিষয়ে কলেজের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী বাদল তালুকদারের স্ত্রী মাহিনুর বেগম জানন,অামার স্বামী নিয়মিত কলেজের কাজ শেষে অধ্যক্ষ শহিদুলের বাড়িতে ব্যক্তিগত কাজ কর্ম করাতেন।
দর্শক শহিদুলের বিভিন্ন রকমের কুকর্ম নারী কেলেঙ্কারির ঘটনা আমার স্বামী জেনে যাওয়ায় তাকে  ষড়যন্ত্র করে তিনটি সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয় ঐ স্ট্যাম্পের স্বাক্ষর ব্যবহার করে চাকরীচ্যুত করে। চাকরি হারিয়ে অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটিয়ে অসুস্থ হয়ে আমার স্বামী মারা যান।
ধর্ষিতা ফাতেমা জানান, অামি সহ আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে আমাকে হুমকি দিয়ে আসছে আজ আমার জীবনের কোনো নিরাপত্তা নেই তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমার আকুল আবেদন ধর্ষক শহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

About সময় এক্সপ্রেস নিউজ ডেস্ক

এ সম্পর্কিত আরো খবর

সেনবাগে প্রতিবন্ধীকে গণধর্ষণ বন্দুকযুদ্ধে ধর্ষক আকরাম নিহত

এম এ আউয়াল : নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার উত্তর মানিকপুরে আলোচিত বুদ্ধি প্রতিবন্ধী (২০) গণধর্ষণে জড়িত …

হাফেজের ধর্ষণে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় আরবি পড়তে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী। প্রায় তিনমাস …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *